এ্যারো নামকরণের কারণ -

পৃথিবীতে পাঁচ শ্রেণীর মানুষ রয়েছে।


১) জন্মসূত্রে বা বংশগত ভাবে কোনো ধর্মের অনুসারী অন্ধভাবে (হোক সে মুসলিম বা হিন্দু বা খ্রিস্টান বা অন্য কোনো ধর্মের অনুসারী)

২) নাস্তিক

৩) যে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে চিন্তা করে আসলে কোন স্রষ্টা আছে কিনা এবং থাকলে তার দেখান পথ কোনটি বা কোন ধর্মটি সঠিক

৪) জাস্টিফাই করে সঠিক ধর্মের অনুসারী

৫) ভূল শিক্ষা নিয়ে ধর্মান্তর

এখানের ৪নং শ্রেণীর মানুষ নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই কারন তারা সত্য ও শান্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।


এখন ৩নং শ্রেণীর মানুষ বুদ্ধিমান। বাকী যেসব শ্রেণীর মানুষ রয়েছে তাদের প্রথমে ৩নং শ্রেণীর মানুষের কাতারে আনতে হবে। তবে এক্ষেত্রে যদি কেউ চিন্তা করে যে নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ দিয়ে জাস্টিফাই করতে গেলে সে নাস্তিক হয়ে যাবে সেটা ভূল কারন আমি একটি উদাহরণ দিচ্ছি - একজন মুসলিম সে কি প্রমাণ করতে পারবে যে তার ধর্ম ইসলামই সঠিক তবে সে শুধু দাবী করে যে তার ধর্মই সঠিক কিন্তু সেকি চিন্তা করে যে হিন্দু, খ্রিস্টান, নাস্তিক বা অন্য কেউ সেও চিন্তা করে যে সে সঠিক। তবে কে সঠিক তা জাস্টিফাই করতে গেলে নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ যাচাই করতে হবে।