যাকে আল্লাহ না সৃষ্টি করলে হয়তো বা অনেক রোগী আরোগ্য হতো না, হোমিওপ্যাথি এবং চিকিৎসা শাস্ত্র পূর্ণতা পেত না, যার অনেক বড় অংশীদারিত্ব ছিল স্বাধীনতার পেছনে তিনি হলেন - 

ট্রেনিং কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মুজিবর রহমান 

জন্মঃ

বিশ্ব 🌏 শাসনের স্বপ্ন নিয়ে জন্ম গ্রহণকারী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নায়ক এডলফ হিটলারের ভক্ত ডাঃ ইসহাক কোরেশী (গবেষক) এর ওরসজাত ও গর্ভধারিনী মাতা ছায়েরা বেগম এর কোল আলো করে ১৯৪২ সালের..... তারিখ জন্ম গ্রহণ করে এক নূরানী চেহারা নিয়ে একটি ফুটফুটে শিশু (জন্ম তারিখ আইডি কার্ড হতে নেওয়া তবে তার ভাষ্যমতে তিনি আরও অনেক আগে জন্ম গ্রহণ করেছেন)। পিতা-মাতা এবং দাদা-দাদি সহ সবাই মিলে অতি-আদরের সন্তানটির নাম রাখলেন মুজিবর রহমান কোরেশী।

 

বংশঃ

ডাঃ ইসহাক কোরেশীর দাদা সেন্ট্রাল ইন্ডিয়া থেকে ইসলাম প্রচারের জন্য মোঘল ইন্ডিয়ার এ প্রান্তে অর্থাৎ বর্তমান ভোজপোতিয়া ইউনিয়নের ডাকরা গ্রামে আসেন (আনুমানিক) তবে তখন নদী কেন্দ্রীক নগরায়নের ফলে এখানে ছোট নগরী বা গন্জো গড়ে ওঠে এবং বর্তমান কালিগন্জের নদী তখন খড়স্রোতা অনেক বড় ছিল তখনকার সময়ে নদীপথে আগমন করেন তিনি এবং ইসলাম প্রচার করতে থাকেন এবং দলে দলে মুসলিম হতে থাকে এবং জীবনযাপন করতে থাকেন পরে তার পুত্র মোঃ যৌদ কোরেশী মতান্তরে মোঃ যদু কোরেশী স্থায়ী নিবাস শুরু করে। মোঃ যৌদ কোরেশীর পুত্র ইসহাক ‌‌কোরেশী তার দাদা বাড়িতে কলকাতায় থেকে পড়াশোনা করতেন এবং পরে বাড়ি ফিরে আসেন এবং পরে ছায়েরা বেগমের সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের তিনটি পুত্র ও তিনটি কন্যা সন্তান লাভ করল। ভাইদের ভেতর মুজিবর রহমান কোরেশী ছিলেন মেঝ। মুজিবর রহমানের চাচাত ভাই "সুলতান মাহমুদ গজনবি" ছিলেন ঐ সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী। 

 

শৈশব ও কৈশোর কালঃ

বড় হতে থাকে মুজিব নামের শিশুটি খুব দ্রুত হটা শিখে যান তিনি। প্রচন্ড সাহসী, প্রাণবন্ত, বুদ্ধিমান ও একক সিদ্ধান্তের মানুষ ছিলেন তিনি। তার ভাইদের ওতাকে সবাই কোরোন কোরোন বলে খেপিয়ে তুলতো তাই পাঠশালায় ভর্তির সময় চালাকি করে নিজের নাম পরিবর্তন করে শেখ মুজিবর রহমান লিখিয়ে নিলেন। ঐ সময় আরবের প্রভাবশালী ধনকুবের শেখরা তার এলাকায় প্রভাব বিস্তার শুরু করে তাই তাদের প্রভাব দেখে এমনটি সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।

 

শিক্ষা জীবন ঃ